Soft IT Care Blog

Best Web Design and Development Company

“ডোমেইন কেনার পূর্বে অবশ্যই বিষয়গুলো জেনে নিন।”

ডোমেইন হোস্টিং কেনার পূর্বে এই ৫ টি ভুল কখনোই করবেন না

কিওয়ার্ডঃ ডোমেইন হোস্টিং

মেটা ডেসক্রিপশনঃ একটু সচেতনতা এবং সঠিক নির্দেশনার অভাবে আপনার ওয়েবসাইটও পড়তে পারে নানাবিধ ঝুঁকিতে। তাই জেনে নিন ডোমেইন হোস্টিং কেনার পূর্বে কোন ভুলগুলো করবেন না

যেকোন সফল ওয়েবসাইটের সর্বপ্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল ডোমেইন হোস্টিং। এ বিষয়ে যথাযথ জ্ঞান এবং সঠিক প্রক্রিয়াই পারে আপনার ওয়েবসাইটকে আকর্ষণীয় এবং নিরাপদ রাখতে। এর জন্য দরকার সঠিক নির্দেশনা। তবুও বেশ কিছু ছোটখাট ভুলের জন্য আমরা প্রায়ই আমাদের ওয়েবসাইট নিয়ে বেশ ভোগান্তির সম্মুখীন হই। 

এই ভুলগুলো যাতে না হয় সেজন্য অবশ্যই আমাদেরকে ডোমেইন হোস্টিং কেনার সময় আমাদের সচরাচর ভুলগুলোর ব্যাপারে জানতে হবে এবং সেগুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। চলুন দেখি ডোমেইন এবং হোস্টিং কেনার সময় আমাদের যে ভুলগুলো করা উচিত নয়ঃ

ডোমেইন কেনার সময় যে ভুল গুলো এড়িয়ে চলবেনঃ

নিজের ব্যবসার ব্র‍্যান্ড ভ্যালু বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট নামের ডোমেইন কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আর বলার অবকাশ রাখে না। একটি ভুল ডোমেইন আপনার ব্যবসার জন্য মারাত্মক ফল বয়ে আনতে পারে। তাই সঠিক ডোমেইন নিশ্চিত করার জন্য নিম্নোক্ত ভুলগুলো এড়িয়ে চলুনঃ

১. বড় ডোমেইন এড্রেস ব্যবহার করা

একটি ছোট কিন্তু চিত্তাকর্ষক নামের ডোমেইন যেমনি মনে রাখা সহজ, তেমনি এটা একটা অনলাইন স্টেটমেন্ট তৈরি করার জন্যও বেশ কার্যকরী। আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম যদি বড় হয়, চেষ্টা করুন নামের সংক্ষিপ্তরূপকে ডোমেইন নাম হিসেবে ব্যবহার করতে। কারণ অতিরিক্ত বড় ডোমেইন নেম দেওয়ার ফলে দর্শনার্থীরা আপনার ডোমেইন অ্যাড্রেস ভুল করতে পারে।

২. ভুল এক্সটেনশন ব্যবহার করা

ডোমেইন নাম নির্বাচনের সময় অনেকেই ভুল এক্সটেনশনে ডোমেইন কিনে ফেলেন। অনেক সময় টার্গেট নামের ডোমেইন অ্যাড্রেস এভেইলবল না থাকলে অন্য এক্সটেনশনের ডোমেইন কিনে ফেলা হয়। কিন্তু এতে আপনার প্রতিষ্ঠানের ধরন নিয়ে অনেকের মনে কনফিউশন তৈরি হতে পারে। যেমন .com এক্সটেনশন দিয়ে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বোঝায়, যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন নামের শেষে এই এক্সটেনশন থাকলে জিনিসটা খানিকটা দৃষ্টিকটু দেখাবে। তাই আপনার প্রতিষ্ঠানের ধরন বুঝে এক্সটেনশন বাছাই করবেন।

৩. অন্য ওয়েবসাইটের নামের সাথে মিল রেখে ডোমেইন নির্বাচন

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামের মিল থাকার কারণে দুটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামে কিছুটা সাদৃশ্য থাকতে পারে। কিন্তু এর ফলে আপনার ভিজিটর ওয়েবসাইটের বদলে ভুল করে আরেকটি ওয়েবসাইটে চলে যেতে পারে। তাই নামের ইউনিকনেস বজায় রাখা জরুরী।

৪. দুর্বোধ্য শব্দের ডোমেইন নির্বাচন করা

আপনার ডোমেইনের বানান দুর্বোধ্য হলে আপনার অধিকাংশ ভিজিটরই সঠিক এড্রেস টাইপ করতে ভুল করবে। তাই এমন নাম এড়িয়ে চলাই ভালো।

৫. সংখ্যা বা চিহ্ন ব্যবহার করা

ডোমেইন নামের মধ্যে সংখ্যা বা চিহ্ন ব্যবহার করলে সেটা ডোমেইন নামের সৌন্দর্য এবং সহজবোধ্যতা দুটিই ক্ষুণ্ণ করে। তাই বর্ণ বাদে আর কোনো ক্যারেক্টার ব্যবহার করা পরিহার করুন।

ডোমেইনের সচরাচর ভুলগুলোর পাশাপাশি হোস্টিং নির্বাচনের সাধারণ ভুল গুলোও এড়িয়ে চলতে হবে। তাই হোস্টিং সার্ভিস নিয়েও দরকার বাড়তি সতর্কতা।

হোস্টিং কেনার ভুলসমূহঃ

আমরা সাধারণত বিভিন্ন হোস্টিং সার্ভিস থেকে আমাদের ওয়েবসাইটের হোস্টিং নিয়ে থাকি। কিন্তু হোস্টিং কোম্পানি ভালো না হলে প্রায়ই আমাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। ফলশ্রুতিতে ওয়েবসাইটের উপরে করা আমাদের মূল্যবান বিনিয়োগ অপচয়ে পরিণত হয়। চলুন জেনে নেই কোনো কোম্পানির হোস্টিং সার্ভিস নেওয়ার আগে কোন ভুল গুলো করবেন নাঃ

১. ফ্রি হোস্টিং সার্ভিস ব্যবহার করা

অনেকেই ওয়েবসাইটে খুব একটা বেশী খরচ না করার উদ্দেশ্যে ফ্রি হোস্টিং সার্ভিস ব্যবহার করেন। কিন্তু এ ধরনের ফ্রি হোস্টিং সার্ভিস নিলে আপনাকে প্রায়ই সার্ভার ডাউন, সাইট হ্যাকসহ বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে। এছাড়াও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফ্রি হোস্টিং সার্ভিসে কোনো ধরনের বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়া হয় না, ফলে আপনার সাইট হুমকিতে পড়তে পারে।

২. রিফান্ড পলিসি চেক না করা

আপনার হোস্টিং কোম্পানিতে যথাযথ রিফান্ড পলিসি না থাকলে সার্ভিস খারাপ থাকলেও আপনি টাকা ফেরত পাবেন না। ফলে পুরো টাকাটাই অপচয় হয়ে যায়। আবার কিছু কিছু হোস্টিং কোম্পানির জটিল রিফান্ড পলিসির কারণে তাদের রিফান্ড পলিসি থাকা সত্ত্বেও আপনাকে টাকা পেতে বেগ পেতে হয় বা পাওয়াই যায় না। এতে শুধু টাকাই না, আপনার মূল্যবান সময়ও নষ্ট হয়। তাই রিফান্ড পলিসি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়াটাই উত্তম।

৩. হোস্টিং সার্ভিসের রিভিউ না চেক করে সার্ভিস নেওয়া

আমরা অনেক সময় চটকদার বিজ্ঞাপন এবং অফার দেখে সার্ভিস কোয়ালিটি এবং রিভিউ না দেখেই সার্ভিসের জন্য সাবস্ক্রাইব করে ফেলি। তখন হোস্টিং সার্ভিস খারাপ পড়লেও আর কিছু করার থাকে না।

৪. কাস্টোমার সাপোর্টের মান নিয়ে অবগত না থাকা

আপনার হোস্টিং সার্ভিসের কাস্টোমার সাপোর্টের প্রক্রিয়া এবং কোয়ালিটি সম্পর্কে না জেনে হোস্টিং সার্ভিস নেওয়া হবে আরেকটি ভুল। কারণ সাপোর্ট প্রসেস বেশী জটিল বা কোয়ালিটি খারাপ হলে যেকোনো সমস্যায় কোনো সমাধান পাওয়ার সম্ভাবনা কম। সবচাইতে ভালো হয় লাইভ সাপোর্ট আছে এরকম কোনো হোস্টিং কোম্পানির সার্ভিস নেওয়া।

৫. ভুল হোস্টিং প্যাকেজ নেওয়া

হোস্টিং সার্ভিস নেওয়ার সময় অনেকেই এই ভুলটা করে থাকেন। একটি হোস্টিং সার্ভিস কোম্পানি দামের উপর ভিত্তি করে অনেক ধরনের হোস্টিং প্যাকেজ অফার করে থাকেন। এ ধরনের প্যাকেজের মধ্যে হোস্টিংয়ের ধরন, অতিরিক্ত সুবিধাদিসহ অনেক কিছুর বৈচিত্র‍্য দেখা যেতে পারে। 

যেমন আপনি চাইলে ডেডিকেটেড হোস্টিং নিতে পারেন বা শেয়ার্ড হোস্টিং নিতে পারেন, আপনার ওয়েবসাইটের ধরন বুঝে এ আপনার প্যাকেজ বেছে নিতে হবে। ছোট ছোট ওয়েবসাইট গুলোর জন্য শেয়ার্ড হোস্টিং নেওয়াটাই ভালো, এতে অযথা অর্থখরচ কমে। আবার বড় বড় ওয়েবসাইট সক্রিয় এবং দ্রুতগামী রাখার জন্য ডেডিকেটেড হোস্টিংই বেছে নেওয়া উচিৎ।

অবশ্যই আপনার প্যাকেজে অন্যান্য সুবিধাদি, যেমন SSL Certificate, ডোমেইনের নিরাপত্তা/সুরক্ষা এসব আছে কি না সেটাও ভালো করে দেখা উচিৎ।

ডোমেইন এবং হোস্টিং বিষয়ক কিছু সাধারণ জিজ্ঞাসাঃ

প্রশ্ন: কীভাবে ভালো হোস্টিং কোম্পানি বেছে নিতে পারি?

উত্তর: ভালো হোস্টিং কোম্পানি সহজে খুঁজে পাওয়ার একটি উপায় হল যেসব হোস্টিং কোম্পানিগুলো ফ্রি ট্রায়াল অফার করে সেগুলো ট্রাই করা। ট্রাই করে আপনি নিজেই তাদের সার্ভিস কোয়ালিটি বুঝতে পারবেন। এছাড়াও তাদের সার্ভিস পলিসি এবং রিভিউ দেখেও এদের ব্যাপারে একটি ধারণা পাবেন।

প্রশ্ন: আমার কাঙ্ক্ষিত ডোমেইন নেম না পাওয়া গেলে কি করব?

উত্তর: আপনার কাঙ্ক্ষিত ডোমেইন নেম যদি অন্য কেউ আগে থেকেই কিনে রাখে তাহলে আপনার কোম্পানির শর্টফর্ম বা অন্য কোন প্রাসঙ্গিক এক্সটেনশন ব্যবহার করতে পারেন।

প্রশ্ন: হোস্টিং সার্ভিস কোম্পানি কীভাবে পরিবর্তন করব?

উত্তর: আপনার পুরোনো হোস্টিং সার্ভিস থেকে নতুন হোস্টিং সার্ভিসে শিফট করতে চাইলে ওয়েবসাইটের সমস্ত ডাটা ডাউনলোড করে সেটা নতুন হোস্টিং সার্ভিসের ফাইলে আপলোড করে দিবেন। 

প্রশ্ন: আমার ওয়েবসাইটের ডোমেইন কীভাবে পরিবর্তন করব?

উত্তর: আপনার হোস্টিং সার্ভিসের ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল থেকে ডোমেইন এড্রেস চেঞ্জ করে ডোমেইন পরিবর্তন করতে পারেন।

প্রশ্ন: ই-কমার্স সাইটের জন্য কী ধরনের হোস্টিং ব্যবহার করা উচিৎ?

উত্তর: একটি ই-কমার্স সাইটের জন্য আপনার অবশ্যই ডেডিকেটেড হোস্টিং অথবা ক্লাউড সার্ভার ব্যবহার করা উচিৎ, অন্যথায় আপনার ওয়েবসাইট স্লো হয়ে যাওয়া, সার্ভার ডাউন হওয়া সহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা যেতে পারে।

অযথা অর্থখরচ নয়, বরং সামান্য সচেতনতাই পারে ডোমেইন হোস্টিংয়ে একটি ভালো সার্ভিস পাইয়ে দিতে। তাই ডোমেইন হোস্টিং নেওয়ার সময় চেষ্টা করবেন অবশ্যই এই ভুলগুলো এড়িয়ে চলতে, যেন আপনার মূল্যবান ওয়েবসাইটের জন্য আপনাকে কোনোরূপ ভোগান্তিতে না পড়তে হয়।

কেনার সময় কোন কিছু চিন্তা না করেই ধুপ করেই মনে যা আসে তা লিখেই যদি দেখি এভেইলেবল তাই কিনে ফেলি, এটা আপনার বিজনেস এর জন্য অবশ্যই একটি ভুল কন্সেপ্ট।ডোমেইন কেনার সময় অবশ্যই সহজ নাম নির্বাচন করা উচিত। 

  • একটা কথা মাথায় রাখবেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আপনি আপনার যে ডোমেইন কিনতে চাচ্ছেন সেটা আপনার বিজনেস রিলেটেড কিনা।
  • ডোমেইন যত ছোট রাখা যায় ততই উওম।ডোমেইন এর মধ্য সংখ্যা / – এসব ইউজ না করাই বেটার।
  • অবশ্যই সে শব্দ বা নাম নির্বাচন করেছেন তার সার্চ ভলিয়ম আছে কিনা এটাও দেখে নেয়া দরকার। 
  • ভাল সার্চ ভলিয়ম এর ডোমেইন আপনার ওয়েবসাইট এ ভাল ট্রাফিক জেনারেট করতে এবং আপনার বিজনেস এর সেল বাড়িয়ে দিতে সক্ষম। যা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • মাথায় রাখুন আপনি যে ডোমেইন টা কিনতে চাচ্ছেন তার পুর্বের অবস্থা কি ছিল!!!
  • মানে হচ্ছে ডোমেইন টা কি গুগলে ব্লাক লিস্টেড কিনা সেটাও জেনে নিন।
  • আপনার ডোমেইন গুগলে ব্লাক লিস্টেড কিনা সেটা জানার জন্য এখানে মেসজ করুন।  👉👉️ Domain Block List Check

“কীভাবে একটি পারফেক্ট ডোমেইন নাম সিলেকশন করবেন?”

ডোমেইন হচ্ছে কোন একটা ওয়েবসাইটের নাম।সর্বোচ্চ ডোমেন নাম দৈর্ঘ্য ৬৩ অক্ষরের মধ্যে হতে হবে। তবে ডোমেইন যত ছোট রাখা যায় ততই উওম। জেনে নেই কোন ক্ষেত্রে কোন ডোমেইন পারফেক্ট।ওয়েবসাইটের ধরণ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের এক্সটেনশ হয়ে থাকে।

যেমনঃ

  • .com সাধারণত কোম্পানি ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়।
  • .net এক বা একাধিক নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • .org কোন অর্গানাইজেশন/সংগঠন এর ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়।
  • .info ব্যক্তিগত অথবা তথ্যভিক্তিক ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহৃত।
  • .me সাধারণত পোর্টফলিও ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়।

এছাড়াও আরো অনেক এক্সটেনশন রয়েছে।  👉👉️ https://softitcarehosting.com/all-domain-extension

“হোস্টিং কেনার সময় এই ভুল গুলো কখোনই করবেন না।”

যখন আপনি একটা ওয়েব সাইট তৈরী করবেন তখন কোন পাবলিক ওয়েব সার্ভারে আপনার সাইটটি কপি করে রাখতে হবে। অর্থাৎ ডোমেইন এর আন্ডারে যে ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন সেটি কোথায় রাখবেন, এমন একটি জায়গা যা ইন্টারনেট এবং পিসির সাথে ২৪ ঘন্টা ৩৬৫ দিন কানেকশনে রাখার যে মাধ্যম সেটিই মূলত হোস্টিং।

  • আপনার প্রফেশনাল কোনো ওয়েবসাইটের জন্য ফ্রি হোস্টিং ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ফ্রি হোস্টিং আপনি যেকোন চর্চার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারেন।
  • এইরকম হোস্টিং প্রদানকারীদের কাছ থেকে হোস্টিং পরিকল্পনা পছন্দ করেন যাদের রিফান্ড পলিসি আছে। 
  • আপনি যে হোস্টিং পেকেজ কিনবেন তার সকল লিমিটেশন ক্রয় করার পূর্বে জেনে নিন এবং প্রয়োজনে স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন ভবিষ্যতের প্রয়োজনে।
  • যেকোনো ব্যক্তির কাছ থেকে হোস্টিং কেনা থেকে বিরত থাকুন। অবশ্যই যেকোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হোস্টিং কেনার চেষ্টা করুন। কারন আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন কাজের জন্য হোস্টিং প্রদানকারীর অনেক সাহায্য প্রয়োজন হবে।তাই সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই যেকোনো হোস্টিং কোম্পানির কাছ থেকে হোস্টিং ক্রয় করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
  • অবশ্যই যাদের কাছ থেকে হোস্টিং কিনবেন তাদের লাইভ সাপোর্ট চেক করে নিবেন। আপনার হোস্টিং প্রদানকারীদের লাইভ সাপোর্ট অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইট মেইনটেইনের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
  • এটি একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, খুব কম মূল্যের হোস্টিং পেকেজ ক্রয় করা।বিভিন্ন কোম্পানি আছে যারা খুব কম মূল্যে হোস্টিং পেকেজ বিক্রি করে।এই হোস্টিং পেকেজের একটি বড় সমস্যা হচ্ছে এরা আপনার কাছে খুব কম মূল্যে পেনেল দেওয়ার পর আপনি যখন আপনার ওয়েবসাইট তাদের সার্ভারে হোস্ট করবেন এবং আপনার ওয়েবসাইটে যখন একটু ভালো পজিশনে রেংক করবে তখন অনেক পরিমাণ ট্রাফিক আসা শুরু করবে। তখন এরা আপনার সার্ভার ডাউন করে রাখবে। তখন আপনার কাছ থেকে তারা বেশি অর্থ দাবি করবে। এটা নাহলে আপনার সাইট ব্লক করে রাখবে অথবা সাইটে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় শো করাবে যেটা আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি বড় রকম সমস্যা। সুতরাং অল্প কিছু টাকার জন্য খারাপ হোস্টিং ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ আপনার কোম্পানির জন্য একটি খারাপ রিপোর্ট অনেক বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।

উপরের সকল শর্ত মানার পাশাপাশি Soft IT Care Hosting আপনাদেরকে একটি বড় সুযোগ দিচ্ছে ফ্রি ট্রায়াল ব্যবস্থা।অর্থাৎ আপনি চাইলে Soft IT Care Hosting – এর যেকোনো হোস্টিং পেকেজ ১৫ দিনের জন্য ফ্রি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।যদি আামাদের সার্ভিস আপনাকে সন্তুষ্ট করতে পারে তাহলে আপনি আামাদের হোস্টিং রিনিউ করতে পারেন।

১৫ দিনের জন্য ফ্রি ট্রায়াল নিতে এখানে মেসজ করুন।

👉👉️ 15 Days Free Trail

Our Shared Hosting Package

Instance 1

1GB SHARED WEB HOSTING

৳599

/yearly

  • 1000 (MB) Disk Space
  • 10000 (MB) Monthly Bandwidth
  • 5 FTP Accounts
  • 5 Email Accounts
  • 5 Databases
  • 5 Sub Domains
  • 1 Addon Domains
  • 24/7 Support

Most Popular

2GB SHARED WEB HOSTING

৳980

/year

  • 2000 (MB) Disk Space
  • 20000 (MB) Monthly Bandwidth
  • 5 FTP Accounts
  • 10 Email Accounts
  • 5 Databases
  • 5 Sub Domains
  • 2 Addon Domains
  • 24/7 Support

5GB SHARED WEB HOSTING

৳1850

/year

  • 5000 (MB) Disk Space
  • 50000 (MB) Monthly Bandwidth
  • 5 FTP Accounts
  • 15 Email Accounts
  • 5 Databases
  • 5 Sub Domains
  • 3 Addon Domains
  • 24/7 Support

10GB SHARED WEB HOSTING

৳2800

/year

  • 10000 (MB) Disk Space
  • 100000 (MB) Monthly Bandwidth
  • 10 FTP Accounts
  • 20 Email Accounts
  • 10 Databases
  • 10 Sub Domains
  • 5 Addon Domains
  • 24/7 Support

Our Some Popular Domain Extension Price

Extension NameNew PriceRenewalTransferFor Order
.com৳650৳850৳850Order Now
.info৳450৳1275৳930Order Now
.xyz৳250৳930৳930Order Now
.net৳850৳930৳930Order Now
.org৳930৳930৳930Order Now

For More Information Visit Our Website: https://so​​ft​itcarehosting.com

RELATED ARTICLES

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *