Soft IT Care Blog

Best Web Design and Development Company

সাইটের গতি আপনার ওয়েবসাইটের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি বিভিন্ন কী মেট্রিক্সকে প্রভাবিত করে, আপনার ওয়েবসাইটের ভালো গতি ওয়েবসাইটের সাফল্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, তবে কীভাবে এটি করবেন তা নির্ধারণ করা একটু কঠিন হতে পারে।
ইন্টারনেটে স্পীড টেস্টের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের গতি পরীক্ষা করতে পারেন। নানা কারনে ওয়েবসাইটের গতি কম হতে পারে। আর আপনি চাইলে মান সম্পন্ন ওয়েব হোস্টিং দিয়ে এসব সমস্যা সমাধান করতে পারবেন।

আসুন যেনে নেয়া যাক ওয়েবসাইট কেন স্লো হয় এবং এর প্রভাব সম্পর্কে-

১। রেন্ডার-ব্লক করা জাভাস্ক্রিপ্ট ওয়েবসাইট পেজ লোড হতে বিলম্ব করায়-
জাভাস্ক্রিপ্ট এমন একটি কোড যা আপনার ওয়েবসাইটকে ব্যবহারকারীদের জন্য কার্যকর এবং ইন্টারেক্টিভ করে তোলে। এটি ছাড়া আপনার সাইটটি বেশ নিস্তেজ হবে। তবে যদি এটিকে আনঅপ্টিমাইজড রাখা হয় তবে ওয়েবপেজ ব্যবহারকারীদের ব্রাউজারে লোড হতে অনেক বেশি সময় নিবে।
২। আপনি হয়তো Content Delivery Network (CDN) ব্যবহার করছেন না-
কন্টেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (সিডিএন) এর মধ্যে বেশ কয়েকটি সার্ভার থাকে যা কৌশলগত ভৌগলিক অবস্থানগুলিতে স্থাপন করা হয়। আপনি আপনার ওয়েবসাইটের কপি সেগুলিতে সংরক্ষণ করতে পারেন যাতে ব্যবহারকারীরা আপনার মেইন সার্ভারে না থেকেও খুব দ্রুত আপনার ওয়েবপেজগুলো লোড করতে পারেন।
৩। আপনার ডেটাবেজে অতিরিক্ত ওভারহেড রয়েছে-
“ওভারহেড” বলতে আপনার সাইটের ডেটাবেজে বহিরাগত আইটেমগুলিকে বোঝায়। যেমন লগ, ট্রান্সজেন্টস এবং প্লাগইন যা সময়ের সাথে সাথে বাড়তে পারে। এই “ওভারহেড” এর অত্যধিক কারণে ডেটাবেস ক্যোয়ারীগুলি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সময় নিতে পারে।
৪। আপনার সাইটের সিএসএস অপ্টিমাইজ করা হয়নি- সিএসএস আপনার সাইটের ডিজাইনিং এ সাহায্য করে। জাভাস্ক্রিপ্টের মতো, আপনার সাইটের সিএসএসকে আনঅপ্টিমাইজড রাখলে এটি পেজ লোড হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সময় নিতে পারে।
৫। OPcache এনাবলে করা না হলে-
OPcache হচ্ছে কোডিং ল্যাংগুয়েজ PHP এর একটি বিল্ট ইন ক্যাচিং ইঞ্জিন। যদি আপনি ওয়েবসাইটে PHP ব্যবহার করে থাকেন তাহলে OPcache এনাবল না করলে আপনার সাইট স্লো হবে।
৬। বড় মিডিয়া ফাইলের ব্যবহার-
ইমেজ এবং ভিডিও এর মতো মিডিয়া ফাইলগুলি বেশ বড় আকার ধারণ করে। কমপ্রেশনের মাধ্যমে এগুলোর আকার হ্রাস করে আপনার ওয়েবসাইটের গতি বাড়াতে পারেন।
৭। আপনার সাইটের বিশাল কোড-
আপনার ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজারে যত বেশি কোড লোড করতে হবে, আপনার ওয়েবসাইটটি লোড হতে তত বেশি সময় লাগবে। যদি আপনার কোডটি খুব “বড়” হয় বা এতে অপ্রয়োজনীয় অক্ষর এবং লাইন ব্রেক থাকে তবে আপনার সাইটটি ধীর হতে পারে।
৮। মিসিং ফাইল- কিছু পরিস্থিতিতে আপনার ওয়েবসাইটের ইনস্টলেশন ফাইলগুলি মিসিং হতে পারে। এক্ষেত্রে পেজ লোড হতে বেশি সময় নিবে এবং কখনো কখনো 404 error দেখাবে।
৯। অনেকগুলো প্লাগইনের ব্যবহার- বেশি প্লাগইনের ব্যবহার আপনার সাইটকে স্লো করে তুলবে। অব্যবহৃত প্লাগইনকে রিমুভ করে ওয়েবসাইটের গতি বাড়ানো যায়।

আপনার ওয়েবসাইটের সাফল্যের জন্য এর ভালো স্পীড থাকা আবশ্যক। আপনার ওয়েবসাইটের গতি কম হলে আপনার SEO এবং conversion রেট ও কম হবে। ফলে ইন্টারনেটে আপিনকে কেউ সহজে খুজে পাবেনা। ওয়েবসাইট পেজ লোড হতে ৩ সেকেন্ডের বেশি সময় নিলে ৪০% ব্যবহারকারী সে পেজ থেকে লিভ নেয়। তাহলে ভাবুনতো শুধুমাত্র স্লো স্পীডের কারনে আপনি কি পরিমান কাস্টমার হারাচ্ছেন?
তাই আর দেরি না করে আজই আপনার ওয়েবসাইটের স্পীড টেস্ট করুন এবং প্রবলেম থাকলে ভালো ওয়েব হোস্টিং নিয়ে সমাধান করে নিন।

RELATED ARTICLES

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *